মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

গোপালগঞ্জ পৌরসভার সংক্ষিপ্ত বর্ননা

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে গোপালগঞ্জ একটি। নামকরণ: গোপালগঞ্জ জেলা শহরকে ঘিরে রয়েছে এক প্রাচীন ইতিহাস। অতিতের রাজগঞ্জ বাজার আজকের জেলা শহর গোপালগঞ্জ। আজ থেকে প্রায় শতাব্দীকাল পূর্বে শহর বলতে যা বুঝায় তার কিছুই এখানে ছিলোনা। এর পরিচিতি ছিলো শুধু একটি ছোট্ট বাজার হিসেবে। তদানীসত্মন কালে এতদাঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রানী রাসমণির এলাকাধীন ছিলো। উল্লেখ্য রানী রাসমণি একজন জেলের মেয়ে ছিলেন। সিপাই মিউটিনির সময় তিনি একজন উচ্চ পদস্থ ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার হিসাবে বৃটিশ সরকার রাসমণিরকে মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদারী প্রদার করেন এবং তাঁকে রানী উপাধিতে ভূষিত করেন। রানী রাসমণির এক নাতির নাম ছিলো নব-গোপাল তিনি তাঁর স্নেহাস্পদ নাতির নাম এবং পুরানো ইতিহাসকে স্মরনীয় করে রাখার জন্য নাতিন নামের ‘গোপাল’ অংশটি প্রথমে রেখে তার সাথে রাজগঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে এ জাযগাটির  নতুর নামকরন করেন গোপালগঞ্জ। উনবিংশ শতাব্দীকাল পর্যমত্ম গোপালগঞ্জ , মাদারীপুর মহকুমার (থানা হিসাবে) অমত্মর্গত ছিলো। ১৯০৯ সালে মুকসুদপুর , কাশীয়ানী, কোটালীপাড়া ও গোপালগঞ্জ সদর থানা নিয়ে গোপালগঞ্জ মহকুমা গঠিত হয়। গোপালগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পূর্বে এটা টাউন কমিটি নামে পরিচিত ছিল। জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে উক্ত টাউন কমিটিকে ১৯৭২সালের ২০জানুয়ারী গোপালগঞ্জ পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠা লগ্নে এ পৌরসভার আয়তন ছিল ৮.৩৯ বর্গ কিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ছিল ৫৫,৭৫০ জন। প্রতিষ্ঠা লগ্নে এ পৌরসভা ৩য় শ্রেনীর ছিল। ১৯৮৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর এ পৌরসভা ২য় শ্রেনীতে উন্নতি হয়। সর্বশেষ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অত্র পৌরসভা ১৯৯৬ সালের ১০ জুলাই ১ম শ্রেনীতে উন্নিত হয়। বর্তমানে এ পৌরসভার আয়তন ১৩.৮২ বর্গ কিঃমিঃ এবং লোক সংখ্যা ১,১৪,৯৫০ জন। পৌর এলাকায় বর্তমান শিক্ষার হার ৫৬%। উল্লেখযোগ্য নির্দশনের মধ্যে আছে কোট মসজিদ, কালী বাড়ী , এজি চার্জ, মধুমতি লেক ইত্যাদি।